এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনার ইঙ্গিত বিমানের বিদায়ী এমডির

২৯ মে, ২০২৪ ১৬:৪৪  

ফ্রান্সের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকে এয়ারক্রাফট কেনার দিকে এগোচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স- এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন সংস্থাটির সদ্য বিদায়ী ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও মো. শফিউল আজিম।

বুধবার (২৯ মে) রাজধানীর কুর্মিটোলায় বলাকা ভবনের কনফারেন্স রুমে এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরামের (এটিজেএফবি) সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ ইঙ্গিত দেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ভিন্নতা দরকার। দুই ধরনের যানেই যাত্রীদের পছন্দ আছে। যাত্রীরা বিকল্প চায়। কোনো সময় যেকোনো কোম্পানির এয়ারক্রাফট খারাপ পারফর্ম করতে পারে। ভবিষ্যতে ঝুঁকিতে যেন না পড়ি, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এয়ারবাসের সঙ্গে নেগোশিয়েশন হচ্ছে। উড়োজাহাজ কেনার আলোচনা পলিসি মেইন্টেইন করেই হচ্ছে। বোয়িং ও এয়ারবাসের কম্বিনেশন বিমানের জন্যই সুফল বয়ে আনবে।’

‘আমরা এখন এয়ারবাসের অফারগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছি। আমাদের বহরের সব বড় এয়ারক্রাফট বোয়িংয়ের (২১টির মধ্যে ১৬টি বোয়িং)। কিছু ডাইভার্সিটি, নতুন এয়ারক্রাফট থাকলে যাত্রীরাও পছন্দ করবেন’ - যোগ করেন তিনি।

বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ বিক্রির প্রস্তাব প্রসঙ্গে শফিউল আজিম বলেন, ‘বোয়িংও আমাদের প্রস্তাব দিয়েছে। শুরুতে এয়ারবাসের প্রোপোজাল যেমন আমরা নেইনি, তেমনি বোয়িংয়েরটাও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বোয়িং আমাদের টেকনিক্যাল, ফিন্যান্সিয়াল, ইঞ্জিনিয়ারিং সাপোর্ট দিচ্ছে। তারা খুবই বিশ্বস্ত সহযোগী। তাদের আমরা কিস্তি পরিশোধ করছি। ইভালুয়েশন হচ্ছে,  তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব। নেগোশিয়েশন কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে কোনটা কেনা হবে। অফারগুলো থাকলে সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে।’

তবে যে এয়ারক্রাফটই কেনা হোক না কেন দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তাবে ক্রেতা হিসেবে বাংলাদেশ বিমান সুবিধাজনক অবস্থানে আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।